খিরসাপাত আম | Khirsapat Mango (হিমসাগর)

Price range: ৳ 1,200 through ৳ 2,400

🥭 ক্ষীরসাপাত আম (জি-আই পণ্য – চাঁপাইনবাবগঞ্জ)

  •  ইদ মোবারক।

  • 📞 কিভাবে অর্ডার করবেন?

  • কত কেজি আম নিবেন সিলেক্ট করুন । আপনার নাম , মোবাইল নম্বর , ডেলিভেরি ঠিকানা দিন।

  •  যে কোনো প্রয়োজনে ফোন করুন: 01741133640

🍽️ উপভোগ করুন প্রকৃতির খাঁটি স্বাদ, বিখ্যাত ক্ষীরসাপাত আমের সঙ্গে!

Description

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরসাপাত আম (জি-আই পণ্য)

আমের পরিচিতি

স্থানীয়ভাবে খিরসাপাত আম, খিরস্যাপাত আম , ক্ষিরস্যাপাত আম, ক্ষীরসাপাত আম যা অনেক সময় হিমসাগর নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের অন্যতম বিখ্যাত এবং জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) স্বীকৃত আম। ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি এই আম বাংলাদেশের তৃতীয় জি-আই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এর উৎপত্তিস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং এটি সম্পূর্ণরূপে এখানেই উৎপাদিত হয়।

আমের বৈশিষ্ট্য

  • আকৃতি: মাঝারি, ডিম্বাকৃতি; গড় দৈর্ঘ্য ৮.৬ সেমি
  • ওজন: ২৫০–৩৫০ গ্রাম
  • ত্বক: হালকা হলুদাভ
  • শাঁস: হলুদ, আঁশবিহীন, অত্যন্ত রসালো
  • মিষ্টতা: কড়া মিষ্টি
  • খাদ্যযোগ্য অংশ: ৬৭.২%
  • গন্ধ: আকর্ষণীয় সুগন্ধি

উৎপাদনের ইতিহাস

খিরসাপাত আমের উৎপাদন শুরু হয় প্রায় ২০০ বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ,  কানসাটে। ময়মনসিংহের মহারাজা সুতাংশু কুমার আচার্য্য বাহাদুর এখানে প্রথম একটি আমবাগান স্থাপন করেন। পরবর্তীতে এটি সমগ্র অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৫৫ সালে স্থানীয় ‘আলকাপ’ গানে এই আমের উল্লেখ পাওয়া যায়।

আমের চাষাবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলায় খিরসাপাত আমের চাষ হয়। বছরে প্রায় ৩৪০০ হেক্টর জমিতে ৩৫,০০০ টন খিরসাপাত আম উৎপাদিত হয়। মে মাসের শেষ দিকে ফল পাকা শুরু করে এবং জুন মাসে বাজারে আসে। গাছ থেকে পেরে ঘরে ৬–৮ দিন সংরক্ষণ করা যায়।

খিরসাপাত বনাম হিমসাগর

অনেকেই খিরসাপাত ও হিমসাগর আমকে একই মনে করেন। তবে এই দুইটি আলাদা জাত। খিরসাপাত উৎপন্ন হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে, আর হিমসাগর মূলত পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার পণ্য। খিরসাপাতের শাঁস বেশি মিষ্টি, আঁশবিহীন ও রসালো।

চাহিদা ও রপ্তানি

জিআই স্বীকৃতির পর খিরসাপাত আমের আন্তর্জাতিক চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ বহু দেশে এটি রপ্তানি হচ্ছে। ২০২৪ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৩৩ মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানি হয়েছে।

২০২৫ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আম রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়ে ২২৪ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এই আমের বিপুল চাহিদা রয়েছে। [1, 2, 3]
আম রপ্তানি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
    • রপ্তানিকৃত পরিমাণ: ২২৪ মেট্রিক টন।
    • প্রধান গন্তব্য: যুক্তরাজ্য, ইতালি, সুইডেন, ফ্রান্স এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ।
    • রপ্তানিকৃত জাত: খিরসাপাত (ক্ষীরসাপাতি), ল্যাংড়া ও আম্রপালি। [1, 2, 3]

উন্নত প্যাকেজিং এবং যথাযথ দিকনির্দেশনার মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের আমের বাজার আরও প্রসারিত হচ্ছে। রপ্তানির সর্বশেষ আপডেট ও পরিসংখ্যান জানতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অথবা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-এর ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। [1]

কেন  Deshi Food Zone থেকে কিনবেন?

  • ১০০% খাঁটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত (জি-আই) আম
  • কোনো ফরমালিন/কেমিকেল ছাড়াই উৎপাদিত
  • প্রাকৃতিকভাবে পাকানো ও সতেজ আম
  • বাংলাদেশজুড়ে হোম ডেলিভারি
  • অনলাইন পেমেন্ট, WhatsApp, Facebook Page সাপোর্ট

কীভাবে অর্ডার করবেন?

আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন: www.deshifoodzone.com

WhatsApp: 01351001658

Facebook Page:  Deshi Food Zone

© ২০২৫ Deshi Food Zone | Crafted with love from Chapainawabganj